Loading
হোম আমাদের সম্পর্কে
বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ‘এসো মানবতার হাত বাড়িয়ে, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ০৯ নভেম্বর এক ঝাঁক তরুণের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি। মূলত মুন্সিগঞ্জ জেলার দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করা মানুষের কল্যাণে সংগঠনটি কাজ করে থাকে।
বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধ উজ্জীবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেদের গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। এখানে আপনি পাবেন মানবসেবা, সমাজসেবা, আত্মিক উৎকর্ষ সাধন, ঝড়-জলোচ্ছ¡াস -প্লাবনে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহস এবং নিজকে আগামীর জন্য দক্ষভাবে গড়ে তোলার সুযোগ।
ক. প্রধানত সামাজিক ও মানব সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করবে।
খ. দেশের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন জনগণকে বিশেষত তরুণ সমাজকে সংগঠিত করবে।
গ. সবসময় সমাজের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষদের কল্যাণে কাজ করবে।
ঘ. এতিম শিশুদের কল্যাণে কাজ করবে।
ঙ. শিক্ষার মান উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
চ. সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ বৃত্তি প্রদান করবে।
ছ. অসহায় ও দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী নিঃসন্তান বৃদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করবে।
জ. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ঝ. দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ মূহুর্তে সহয়তা প্রদান করবে।
ঞ. রক্তদান ও রক্তের গ্রুপ এবং ডায়াবেটিকস নির্ণয় কর্মসূচি পালন করবে ।
ট. শীতার্তদের মাঝে প্রতি বছর শীতবস্ত্র বিতরণ করবে।
ঠ. সমাজের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষদের ৫টি মৌলিক চাহিদা খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে সবসময় যথাসাধ্য সহয়তা প্রদান করবে।
ড. জাতীয় দিবস সম্পর্কে সকলকে অবহিত করবেন এবং যথাযথ মর্যাদায় পালন করবে।
ঢ. যৌতুক বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলবে।
ণ. মাদক বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ত. নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
থ. লিগ্যাল এইড বিষয়ে যথাসাধ্য সহয়তা প্রদান করবে।
দ. বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের কল্যাণে যথাসাধ্য কাজ করবে।
ধ. সাহিত্য,সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিনোদন ইত্যাদি সৃজনশীল কাজে সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদান করবে।
ন. গুণীজনদের সংবর্ধিত করবে।
ভূমিকা: ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’-একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ০৯ নভেম্বর ২০১৮ সালে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মপ্রকাশ ঘটে। ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’ বেসরকারি, শায়ত্বশাসিত কিংবা আধা শায়ত্বশাসিত যে কোন ধরনের সমিতি কিংবা প্রতিষ্ঠানের আওতা বহির্ভূত, প্রভাবমুক্ত এবং অ-রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করবে।
ক. নাম ও লেখ্য পদ্ধতি :
এ সংগঠনের নাম ও লেখ্য পদ্ধতি হবে বাংলায় ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন ’। ইংরেজীতে Bikrampur Manabseba Foundation । সংক্ষিপ্ত নাম ও লেখ্য পদ্ধতি হবে ” বিএমএসএফ (BMSF) ।
খ. স্লোগান : ‘এসো মানবতার হাত বাড়িয়ে, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে’।
গ.প্রতীক: গঠনতন্ত্রে মুদ্রিত বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন-এর প্রতীকের বাইরে আর কোনো প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
ঘ.দাপ্তরিক ভাষা : সংগঠনের দাপ্তরিক ভাষা বাংলা। বিশেষ প্রয়োজনে চিঠি, আবেদনপত্র ইত্যাদি ইংরেজি ভাষায় লেখা যাবে।
ঙ. পতাকা : সংগঠনের পতাকার অনুপাত হবে দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = ৩ :২। পতাকার জমি হবে সাদা। চারিদিকে সীমানা হবে সোনালী রংয়ের। মাঝখানে বৃত্তের ভিতর থাকবে বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন-এর প্রতীক। প্রতীকের আয়তন পতাকার আয়তনের এক-চতুরংশ।
চ. দফতর : স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কামারখাড়া , পোস্ট অফিস: স্বর্ণগ্রাম -১৫২৫, উপজেলা : টংগিবাড়ী, জেলা : মুন্সিগঞ্জ । তবে সকলের সুবিধা মত দেশের যেকোনো স্থানে কার্যালয় ভাড়া বা আর্থিক অবস্থা উন্নত হলে নিজস্ব ব্যয়ে নির্মীত করা যাবে।
ছ. কার্য এলাকা : প্রাথমিকভাবে মুন্সিগঞ্জ জেলা ব্যাপী, তবে পরবর্তীতে বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’-এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যাবে।
ক. প্রধানত সামাজিক ও মানব সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করবে।
খ. দেশের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন জনগণকে বিশেষত তরুণ সমাজকে সংগঠিত করবে।
গ. সবসময় সমাজের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষদের কল্যাণে কাজ করবে।
ঘ. এতিম শিশুদের কল্যাণে কাজ করবে।
ঙ. শিক্ষার মান উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
চ. সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ বৃত্তি প্রদান করবে।
ছ. অসহায় ও দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী নিঃসন্তান বৃদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করবে।
জ. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ঝ. দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ মূহুর্তে সহয়তা প্রদান করবে।
ঞ. রক্তদান ও রক্তের গ্রুপ এবং ডায়াবেটিকস নির্ণয় কর্মসূচি পালন করবে ।
ট. শীতার্তদের মাঝে প্রতি বছর শীতবস্ত্র বিতরণ করবে।
ঠ. সমাজের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষদের ৫টি মৌলিক চাহিদা খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে সবসময় যথাসাধ্য সহয়তা প্রদান করবে।
ড. জাতীয় দিবস সম্পর্কে সকলকে অবহিত করবেন এবং যথাযথ মর্যাদায় পালন করবে।
ঢ. যৌতুক বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলবে।
ণ. মাদক বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ত. নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
থ. লিগ্যাল এইড বিষয়ে যথাসাধ্য সহয়তা প্রদান করবে।
দ. বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের কল্যাণে যথাসাধ্য কাজ করবে।
ধ. সাহিত্য,সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিনোদন ইত্যাদি সৃজনশীল কাজে সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদান করবে।
ন. গুণীজনদের সংবর্ধিত করবে।
ক. সদস্য যোগ্যতা : কেবল মাত্র জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এবং ১৬ বৎসর হইতে তদুর্দ্ধে যে কোনো বয়সের উৎসাহিত ও সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্রের সাথে সমমনা কর্মীগণ এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন।
খ. সদস্যের শ্রেণি বিভাগ-
নিম্নরূপ ৫ প্রকারের সদস্য থাকবে :
১. সাধারণ পরিষদের সদস্য : দেশের যে কোন নাগরিক নূন্যতম ২০০ (দুইশত) টাকা প্রদান সাপেক্ষে ফরম পূরণের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদের সদস্য হতে পারবেন। তবে বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন-এর গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কোন ব্যক্তি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না।
২. সহযোগী সদস্য/ স্বেচ্ছাসেবক : কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমতি সাপেক্ষে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে দেশের যে কোন নাগরিক ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ফরম পূরণের মাধ্যমে সহযোগী সদস্য/ স্বেচ্ছাসেবক হতে পারবেন।
৩. আজীবন সদস্য: এককালীন ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা প্রদান সাপেক্ষে ফরম পূরণের মাধ্যমে যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি সংগঠনের আজীবন সদস্য হতে পারবেন। আজীবন সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের কখনো সদস্য পদ বাতিল করা যাবে না। তবে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করলে সাধারণ সভায় অধিকাংশের মতামতের উপর ভিত্তি করে পদ বাতিল করা যেতে পারে।
৪. দাতা সদস্য : এককালীন ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা প্রদান সাপেক্ষে ফরম পূরণের মাধ্যমে যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি সংগঠনের দাতা সদস্য হতে পারবেন। তবে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কোন ব্যক্তি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না।
৫. প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: সংগঠন নিবন্ধন কালীন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যাদের নাম অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে । তাদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে।
ক. সাধারণ পরিষদের সদস্যকে বাধ্যতামূলক প্রতিমাসে নূন্যতম ১০০ (একশত) টাকা হারে মাসিক চাঁদা প্রদান করতে হবে। বিশেষ বিবেচনায় কম বা বেশি হারে মাসিক ফি ধায্য করার অধিকার সংরক্ষণ করবে কার্যনির্বাহী পরিষদ।
খ. সংগঠন হতে কোন প্রকার আর্থিক লাভের আশা করা যাবে না। সঞ্চিত টাকা ফিরত যোগ্য নয় বা দাবী করতে পারবেন না ।
গ. সাধারণ সভার মধ্যমে মাসিক ফি পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করে কার্যনির্বাহী পরিষদ।
ক. সংগঠনের সদস্যগণের ভোটাধিকার সংরক্ষিত থাকবে এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদানের অধিকারও সংরক্ষিত থাকবে।
খ. সাধারণ সদস্যগণ কর্তৃক সাধারণ সদস্যগণের মধ্য থেকে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন করা হবে।
গ. সংস্থার উন্নয়ন ও সমাজ উন্নয়নে সাধারণ সদস্যগণ মতামত ও সুপারিশ পেশ করবেন বা মতামত প্রকাশ করার অধিকার বহন করবেন।
ঘ. সাধারণ সদস্যগণ নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অনুমোদন করবেন :
১. গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংযোজন।
২. বার্ষিক হিসাব ও বাজেট।
৩. কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন।
৪. ভোটাধিকার প্রয়োগ করা।
ক. কার্যকরী কমিটির রূপরেখা : জেলা, উপজেলা, মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশনের শাখা কমিটি গঠন করা যাবে। নতুন শাখা গঠনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় একজন আহ্বায়ক এবং একজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ হবে ৩ মাস। এ কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫ জন। আহ্বায়ক কমিটির গঠনের তিন মাসের মধ্যে সদস্যদের উদ্দীপনা ও কর্মতৎপরতার ওপর ভিত্তি করে নূন্যতম ১৫ জনের পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’-এর সাংগঠনিক কাঠামো হবে তিন স্তর বিশিষ্ট
ক. উপদেষ্টা পরিষদ
খ. কার্যনির্বাহী পরিষদ
গ. সাধারণ পরিষদ
ক. উপদেষ্টা পরিষদ: নিবার্হী পরিষদ প্রয়োজনবোধে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এক বা একাধিক বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণের জন্য ৭ থেকে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাহী পরিষদের আমন্ত্রণক্রমে সংগঠনের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে উপদেশ বা পরামর্শ প্রদান করবেন । কার্যনির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদকে বিলুপ্ত করতে পারবেন। এই পরিষদের মেয়াদ হবে দুই বছর (২ বছর)। প্রয়োজন বোধে সাধারণ সভার মাধ্যমে কার্য নির্বাহী পরিষদ মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে নতুন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করার ক্ষমতা সংরক্ষন করবে।
খ. কার্যনির্বাহী পরিষদ: ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’ এর মূল সাংগঠনিক কাঠামো পরিচালিত হবে কার্যনির্বাহী পরিষদের মাধ্যমে। কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল দুই বছর (২ বছর)।
সদস্য সংখ্যা: ১৫ জন ।
১) সভাপতি ১ জন
২) সহ-সভাপতি ২ জন
৩) সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৫) সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৬) প্রচার সম্পাদক ১ জন
৭) কোষাধ্যক্ষ ১ জন
৮) দপ্তর সম্পাদক ১ জন
৯) স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১০) শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১১) মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১২) নির্বাহী সদস্য ৩ জন
সর্বমোট : ১৫ জন
গ. সাধারণ পরিষদ:
‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’ এর সকল সদস্যদের নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে। তবে সাধারণ পরিষদের সদস্য সংখ্যার কোন উর্দ্ধসীমা থাকবে না।
৬.১ সভাপতি :
ক. সংগঠনের প্রধান হিসেবে বিবেচিত হবেন।
খ. সংগঠনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
গ. সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
ঘ. সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়া কোন প্রস্তাবই অনুমোদিত হবে না।
ঙ. সভাপতি সভা পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্বে থাকবেন।
চ. সংগঠনের স্বার্থে ও কল্যাণে যে কোন প্রকার দায়িত্ব পালন করবেন।
ছ. কোন সভায় যে কোন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সম-সংখ্যক ভোট পরলে সভাপতি একটি কাষ্টিং ভোট প্রদান করবেন।
জ. বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী সভা আহ্বান করবেন।
ঝ. কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের করণীয় ও কার্যাবলী নির্ধারণ করবেন।
ঞ. উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শক্রমে ও সহ-সভাপতিদের সহযোগিতায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন।
ট. ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এখতিয়ার সংরক্ষণ করবে। তবে অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এবং সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের যেকোন একজনের যৌথ স্বাক্ষরে লেনদেন পরিচালনা করা যাবে।
৬.২ সহ-সভাপতি:
ক. সংগঠনের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
খ. সভাপতির সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।
গ. সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
ঘ. সংগঠনের উপ-নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
ঙ. সভাপতির মতই গঠনতন্ত্র অনুসারে সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন।
চ. সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জনে সহায়তা করবেন।
৬.৩ সাধারণ সম্পাদক:
ক. অফিস নির্বাহী হবেন ও থাকবেন। নির্বাহী পরিষদের নিকট সংগঠনের কার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়ী থাকবেন।
খ. সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠি লেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি স্বাক্ষর প্রদান করবেন।
গ. সংগঠনের কার্যক্রম, কর্মসূচি ও প্রকল্প প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্য/ সদস্যদের সাথে সমন্বয় সাধন করবেন।
ঘ. সংগঠনের সকল প্রকার চিঠিপত্র,কাগজপত্র, তথ্য ও দলিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
ঙ. প্রশাসন ,প্রকল্প তৈরি, বাজেট তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহযোগিতা করবেন।
চ. সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থার স্বার্থে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খন্ডকালীন কর্মচারী নিয়োগ,কর্মচুক্তি ও ছাটাইয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হবেন। তবে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ছ. সকল ধরণের সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করবেন।
জ. সংগঠনের সার্বিক সকল নির্বাহী ও সাধারণ সদস্যদের সাথে যোগাযোগ আলাপ-আলোচনা এবং পরামর্শ বজায় রাখবেন।
ঝ. সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট ও বাজেট পেশ করবেন।
ঞ. সভাপতির সাথে আলোচনা করে সভা আহ্বানের দিন ,তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণসহ আলোচ্যসূচী উল্লেখ্য করে বিজ্ঞপ্তি বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।
ট. অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কর্তৃক মাসিক, ত্রৈমাসিক, বার্ষিক জমা খরচের হিসাব প্রস্তুত করিয়ে নিবেন এবং যথাযথ সভায় অনুমোদন ও পেশ করার ব্যবস্থা নিবেন।
ঠ. নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।
ড. ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এখতিয়ার সংরক্ষণ করবে। তবে অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এবং সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের যেকোন একজনের যৌথ স্বাক্ষরে লেনদেন পরিচালনা করা যাবে।
৬.৪ যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক:
ক. সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা প্রদান করবেন।
খ. সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
গ. নির্বাহী পরিষদ প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
৬.৫ সাংগঠনিক সম্পাদক:
ক. সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
খ. সংগঠনের কার্যক্রমে স্থীরতা প্রকাশ পেলে এর কারণ নির্ণয় করে তা দূরীকরণের জন্য সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনাপূর্বক করণীয় নির্ধারণ করবেন।
গ. সংগঠনের কোন সদস্যের অনুপস্থিতি বা সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজ নির্ণয় এবং সমস্যাসমূহ দেখে সংগঠনের স্বার্থে সবাইকে তা অবহিত করবেন।
ঘ. সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন।
ঙ. সংগঠন কোন হুমকির শিকার হলে সেটি সভাপতিকে অবগত করবেন।
চ. সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান কাজ।
৬.৬ প্রচার সম্পাদক:
ক. সংগঠনের বিকাশ সাধনের জন্য সংগঠন হতে ঘোষিত প্রচারপত্র , পোস্টার এবং বক্তব্য অত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পৌছে দেয়া প্রচার সম্পাদকের কাজ।
খ. সংগঠন হতে সকল প্রকার প্রকাশনার ডিজাইন, তথ্য সংগ্রহ, প্রুফ দেখা সম্পন্ন করে থাকবেন।
গ. সংগঠনের বাহ্যিক প্রচারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করবেন।
ঘ. প্রয়োজন অনুযায়ী সংবাদ সম্মেলন ও গোলটেবিল আলোচনার ব্যবস্থা করবেন।
ঙ. সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা কার্যক্রমের সময় সারা জেলাময় প্রচারের ব্যবস্থা করা এবং তা যথাযথ ভাবে হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন।
চ. বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে সংগঠনের প্রচারণার দায়িত্বও তার অধীনে।
ছ. সংগঠনের বিভিন্ন খবর পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করা তার দায়িত্ব।
৬.৭ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক:
ক. সংগঠনের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা, সংগৃহীত অর্থ যাতে সংগঠনের স্বার্থে ব্যয় হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা অর্থ সম্পাদকের মূল কাজ।
খ. সংগঠনের সদস্যদের হতে মাসিক ফি সংগ্রহ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ হতে অনুদান গ্রহণ তার দায়িত্ব।
গ. তিনি সংগঠনের অর্থে ভবিষ্যৎ উৎস চিহ্নিত করে নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন।
ঘ. বার্ষিক অর্থনৈতিক রিপোর্ট করবেন এবং অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সভায় পেশ করবেন।
ঙ. সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
চ. সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।
ছ. সংগঠনের জমা খরচের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সাধারণভাবে দায়ী থাকবেন।
জ. ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এখতিয়ার সংরক্ষণ করবে। তবে অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এবং সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের যেকোন একজনের যৌথ স্বাক্ষরে লেনদেন পরিচালনা করা যাবে।
৬.৮ দপ্তর সম্পাদক
ক. সংগঠনের সমস্থ তথ্য, রিপোর্ট, চিঠিপত্র,দপ্তর ও সংস্থাপন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় সংরক্ষণ করবেন।
খ. সকল সভা কার্য দিবসের নোটিশ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে সকল সদস্যকে অবহিত করবেন।
গ. সংগঠনের বিভিন্ন সভা/অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তি/অতিথীদের বক্তব্য/মতামত লিপিবদ্ধ করে প্রেস রিলিজ আকারে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।
ঘ. সংগঠনের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবেন।
৬.৯ সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক:
ক. মানুষের সাথে পরিচিতি বাড়াবেন।
খ. সমাজের নানা অসঙ্গতি সংগঠনের সভায় তুলে ধরবেন।
গ. সমাজের জন্য কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণে কার্যনির্বাহী পরিষদকে সহায়তা করবেন।
৬.১০ আইন বিষয়ক সম্পাদক
ক. সংগঠনের আইনবিভাগ পরিচালনা করবেন।
খ. সংগঠনের সদস্যগণ গঠনতন্ত্র মেনে চলছে কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
গ. সংগঠন কোন আইনসংক্রান্ত নোটিশ পেলে তা সভাপতিকে অবহিত করবেন।
৬.১১ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক:
ক. দুস্থ,নিরক্ষর,অসহায়,নির্যাতিত মহিলাদের সংগঠিত করবেন এবং তাদের সম্পর্কে পরিষদকে অবহিত করবেন।
খ. কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মহিলা বিষয়ক গৃহীত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্থ থাকবে।
৬.১২ নির্বাহী সদস্য
ক. সাংগঠনিক যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
খ. কার্যনির্বাহী কমিটির সকল কাজে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করা সদস্যদের প্রধান কাজ।
গ. যে কোন সদস্য সংগঠনের স্বার্থে তার মতামত নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থাপন করতে পারবে।
ঘ. বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিতে থাকা ও কাজ করা।
ঙ. মাসিক সভায় উপস্থিত থাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সহায়তা করা।
ক. যদি কোন সদস্য স্বেচ্ছায় সঠিক ও উপযুক্ত কারণ দর্শানোপূর্বক লিখিত আকারে পদত্যাগ করেন।
খ. দেশ, সমাজবিরোধী, অমানবিক ও বেআইনি কোন কাজে সম্পৃক্ত হন বা সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
গ. যদি মানসিক ভারসাম্য হারান।
ঘ. যদি মাদকাসক্ত হয়।
ঙ. সংগঠনের মধ্যে কোন প্রকার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করলে।
চ. মাসিক চাঁদা পর পর ৬ মাস দিতে ব্যর্থ হলে ।
ছ. বিনাকারণে সংগঠনের পর পর ৩টি সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
জ. যদি সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও স্বার্থের পরিপন্থী কোন কাজ করেন বা তার স্বভাব আচার-আচরণ সংস্থার পরিপন্থী হয়।
ঝ. মৃত্যু হলে বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে অথবা আর্থিক অসংগতি দেখা দিলে অথবা আদালত কর্তৃক দেশের অপরাধমূলক সাঁজা হলে।
ঞ. যদি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথারীতি পালন না করেন বা সংগঠনের কাজে নিষ্ক্রিয় ও অকর্মণ্য হয়ে পরেন।
ট. প্রাসঙ্গিক কারণে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার সাধারণ সভার মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ সংরক্ষণ করেন।
উক্ত বাতিলকৃত সদস্য/সদস্যপদ বাতিল হইবার ৬০(ষাট)দিনের মধ্যে সংগঠনের একজন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যের সুপারিশক্রমে তাহার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে সভাপতি নিকট সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে । সভাপতি উক্ত আবেদনপত্রটি পরবর্তী কার্যনিবাহী সভায় উপস্থাপন করবেন। আবেদনকারী সদস্য কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে তাহার নিকট বকেয়া পাওনা পরিশোধ পূর্বক পুনরায় সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন।
মেয়াদপূর্ণ হবার পূর্বে কার্যনির্বাহী পরিষদের কোনো পদ শূণ্য হলে সাধারণ সভা বা জরুরী সভার মাধ্যমে সকল সদস্যদের সম্মতিক্রমে সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে কো-অপ্ট করে শূণ্যপদ পূরণ করা হবে। নিবন্ধনকৃত দফতর থেকে কো-অপ্টকৃত সদস্যের অনুমোদন নিতে হবে।
ক্স অনুচ্ছেদ-৯ কার্যনির্বাহী পরিষদের কমিটি বিলুপ্ত ও নির্বাচন :
ক. উপদেষ্টা পরিষদের তত্ত্বাবধানে নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করতে হবে।
খ. কন্ঠভোট, সরাসরি সমর্থনদান এবং গোপন ব্যালটের যে কোন একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অবলম্বনে এ পরিষদ গঠন করা যাবে।
গ. নির্বাচন পদ্ধতি : নিন্ম লিখিত ধারা সমূহ অনুসরণ করতে হবে।
১. কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩০(ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গঠনের তারিখ হতে আগামী ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
২. সর্বজনীন স্বীকৃত একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দান করতে হবে। কোন সরকারী ১ম/ ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তা / স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক মর্যাদার কোন ব্যক্তি হবেন।
৩. নির্বাচনের কমপক্ষে ২০ দিন পূর্বে প্রথমে খসড়া ভোটার তালিকা এবং পরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
৪. খসড়া এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অবশ্যই সাধারণ সভায় পাঠ করে শোনানোর পর নোটিশ বোর্ডে ঝুঁলিয়ে রাখতে হবে।
৫. একজন ভোটার প্রতি পদে শুধুমাত্র একটি ভোট প্রদানে সক্ষম হবেন।
৬. চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা যাবে।
৭. কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন পদের প্রার্থীগণ একটি সুনিদিষ্ট পরিমাণের টাকা দিয়ে ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’-এর মনোনয়নপত্র ক্রয় করবেন। যা দিয়ে নির্বাচনের সমস্থ খরচ পরিচালিত হবে ।
৮. নির্বাচনের কমপক্ষে ১৫দিন পূর্বে মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনার বরাবর জমা দিতে হবে।
৯. মনোনয়নপত্র জমার দেওয়ার পর ৩দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করে মনোনয়নপত্র বৈধ বা অবৈধ ঘোষণা করবেন।
১০. প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচনী আচরণ বিধি সহ অন্যান্য কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনার তাঁর প্রয়োজন মাফিক ঘোষণা করবেন।
১১. নির্বাচনের দিন থেকে ঠিক ২৪ ঘন্টা পূর্বে নির্বাচনী প্রচার- প্রচারণা সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ রাখতে হবে।
১২. নির্বাচন কমিশনার মহোদয় নির্বাচন পরিচালনার স্বার্থে যে কোন নতুন বিধি প্রয়োগ কিংবা প্রচলিত বিধি রহিত সহ বিবিধ আইন প্রকাশ করতে সক্ষম হবেন। তবে এ ধরণের আইন বা বিধি নির্বাচন শেষে সংগঠনের সাধারণ পরিচালনায় কোন প্রকার প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হবেনা।
১৩. নির্বাচন সংক্রান্ত সকল প্রকার সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অপরের হস্তক্ষেপ নির্বাচনী আচরণ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্গন বলে বিবেচিত হবে এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনার মহোদয়ের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদের সভায় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
১৪. নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার ৭(সাত) দিনের মধ্যে নব-নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট পুরাতন কার্যনির্বাহী পরিষদ দায়িত্ব হস্থান্তর করবে।
ক্স অনুচ্ছেদ-১০ প্রার্থী ও ভোটারদের যোগ্যতা :
ক. প্রার্থী যোগ্যতা: ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’-এর ২টি বার্ষিক সভা, ৪টি সাধারণ সভা ও ৪টি সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী যেকোনো সদস্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন। এবং অন্যান্য পদে প্রার্থী হতে কমপক্ষে এক বছর সংগঠনের সাথে জড়িত থাকতে হবে। দাতা ও সহযোগী সদস্যগণ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
খ. ভোটার যোগ্যতা : ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’ বৈধ সদস্যগণ ভোট প্রদান করার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন।
নিয়মিত কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবার পূর্বে কিংবা কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যকাল অতিক্রান্ত হবার পর পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নিয়মিত কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনে ব্যর্থ হলে যে কোনো সাধারণ সদস্য সাধারন সভা আহ্বানের মাধ্যমে নি¤œরূপ ৭ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠন করতে পারবেন।
ক. বার্ষিক সভা: উপদেষ্টা পরিষদের আহ্বানে সংগঠনের কার্যনিবাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে বৎসরে ন্যুনতম ১টি বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সভায় গত বছরের সকল আয় ও ব্যয় হিসাব উপস্থাপন করবে অর্থ বিষয়ক সম্পাদক। সংগঠনের বার্ষিক কার্যক্রম উপস্থাপন করবেন সাধারণ সম্পাদক। সভায় সভাপত্বিত করবেন কার্য নির্বাহী পরিষদের সভাপতি।
খ.সাধারণ সভা: কার্যনির্বাহী পরিষদের আহ্বানে প্রতি ৫ মাস অন্তর পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় প্রত্যেক সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
গ.কার্য নির্বাহী সভা : প্রতি ২ মাস অন্তর নিদিষ্ট তারিখে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় কার্য নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যদের উপস্থিতি বাধ্যকতামূলক।
গ. তলবি সভা:
১. সুনির্দিষ্ট কোন আলোচ্যসূচির ওপর সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যে নির্বাহী পরিষদের যে কোন সদস্য তলবী সভা আহবান করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের ন্যূনতম সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতি থাকতে হবে।
২. নিবাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দের ২/৩ অংশের সদস্যদের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ করবে।
ঘ. মূলতবী সভা :
১. সাধারণ সভার নির্ধারিত সময়েল সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের বিলম্বে আরম্ব করা যাবে ।
২. সাধারণ সভা কোরামের অভাবে মূলতবী করলে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরবর্তী মূলতবী সভা আহ্বান করা যাবে । মূলতবী সভায় উপস্থিত সদস্যদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে । মূলতবী সভায় কোনো কোরামের প্রয়োজন হবে না ।
ঙ. সভার নোটিশ সংক্রান্ত : সাধারণ সভা কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে নোটিশে, কার্যনির্বাহী সভা ৭ দিনের নোটিশে, সাধারণ পরিষদের জরুরি সভা ২ দিনের নোটিশে, কার্যনির্বাহী জরুরি সভা ১ দিনের নোটিশে এবং মুলতবী সভা সর্বোচ্চ ৩ দিনের নোটিশে আহবান করতে হবে।
ক. সংগঠনের নামে বাংলাদেশ তফসিল ব্যাংকে একটি যৌথ একাউন্ট পরিচালিত হবে। উক্ত একাউন্টে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যেকোন দুই জনের স্বাক্ষরে লেনদেন করা যাবে।
খ. অত্র সংগঠনের সদস্যদের প্রাথমিক সদস্য ফি এবং মাসিক ফি সংগঠনের তহবিলের প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হবে। তবে শুভাকাংখীদের নিঃস্বার্থ এককালীন দান, অনুদান বা সাহায্যও তহবিলের উৎস হিসেবে বিবেচিত হবে।
গ. এছাড়াও সংগঠন হতে প্রকাশিত পত্রিকা, ম্যাগাজিন বিক্রয় হতে প্রাপ্ত অর্থ সংগঠনের তহবিলে যোগ হবে।
ঘ. অন্য যেকোনো শুভ উপায়ে অর্জিত অর্থ সংগঠনের তহবিলে যোগ হবে।
ঙ. যথাযোগ্য রশিদ ছাড়া এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত ব্যতিত অত্র সংগঠনের নামে কোন চাঁদা গ্রহণ করা যাবে না।
চ. কার্যকরী কমিটির অনুমোদন ছাড়া অর্থ ব্যয় করা যাবে না, সাধারণ সভায় পরবর্তীতে ব্যয়ের অনুমোদন নিতে হবে। প্রত্যেক মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন করতে হবে। বৎসর শেষে সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব বার্ষিক সভায় উপস্থাপন করতে হবে।
ছ. নগদ ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকার বেশি বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন-এর কার্যালয় বা অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের নিকট সংরক্ষণ করতে পারবেন না। এর বেশি হলে সংগঠনের ব্যাংক একাউন্টে জমা রাখতে হবে।
জ. ‘বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন’ এর যেকোনো সদস্য যদি আয়-ব্যয় বা তহবিলের হিসাব দেখতে চান তাহলে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে সভাপতি , সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসাব দিতে বাধ্য থাকবেন।
সংগঠনের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন অডিট ফার্ম দ্বারা প্রতি বৎসরই হিসাব নিরীক্ষা করতে হবে । হিসাব নিরীক্ষার প্রতিবেদন নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
ক্স অনুচ্ছেদ - ১৫ সিদ্ধান্ত গ্রহণ :
১. সকল সভায় যুক্তি বিচার ভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২. সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠের যুক্তিবিচারই সিদ্ধান্ত বলে গৃহীত হবে।
বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ যে কোন কাজের সুবিধার জন্য প্রস্তুতি কমিটি কিংবা উপ- কমিটি গঠন করতে পারবে। এ কমিটির একজন আহবায়ক এবং সুবিধাজনক সংখ্যক সদস্য থাকবে। এছাড়া প্রয়োজন মাফিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে পারবেন।
গঠনতন্ত্রের কোনো ব্যাখ্যা প্রয়োজন হলে কিংবা কোন ধারা অস্পষ্ট মনে হলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়ার ক্ষমতা কার্যনির্বাহী পরিষদের থাকবে।
কার্যনির্বাহী পরিষদের আহবানে সংগঠনের সকল সদস্যদের জরুরী সভায় উপস্থিতি/ আলোচনা ও দুই- তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির মাধ্যমে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা যাবে।
এ সংগঠন বিলুপ্তির ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদের ৩/৪ অংশের সিদ্ধান্তক্রমে নির্ধারিত ফরমে সরকারের নিবন্ধীকরণ কতৃপক্ষের নিকট আবেদন করতে হবে । সরকারি সিদ্ধান্ত সংগঠন বিলুপ্তি ঘটবে । বিলুপ্তির পর সংগঠনের স্থাবর / আস্থাবর সম্পদ সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না ।
‘আমি শপথ করছি যে, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা-সংগ্রামের শহীদদের হৃদয়ে ধারন করে বিক্রমপুর মানব সেবা ফাউন্ডেশন-এর আদর্শ ও উদ্দেশ্যের প্রতি অবিচল থাকব এবং সুনাগরিক হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিবো। আমার মেধা, শ্রম, সত্তা এবং অর্থকে একমাত্র সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করার লক্ষ্যে নিয়োজিত রাখব।’